শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪:১৪, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাতনি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা জাইমার বেড়ে ওঠা এরপর লন্ডনে। সেখানেই কেটেছে তার কিশোরী সময়। সেখানেই শিক্ষা জীবন গড়ে ওঠে ধাপে ধাপে। আজ তিনি একজন ব্যারিস্টার।
তবে শৈশবের স্মৃতিগুলো জড়িয়ে আছে বাংলাদেশেই। প্রাথমিক শিক্ষা নিয়েছেন বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকায়। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও ছিলেন দারুণ সক্রিয়। স্কুল ফুটবল দলে নিয়মিত খেলতেন তিনি। দায়িত্ব ছিল গোলপোস্ট পাহারা দেওয়ার।
সেই দায়িত্বে সফলও হন জাইমা। টুর্নামেন্ট জিতে অর্জন করেন মেডেল। সেই অর্জন নিয়ে একদিন হাজির হন দাদির অফিসে। তখন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। নাতনির গল্প মন দিয়ে শুনেছিলেন তিনি। গর্ব লুকাননি একটুও।
সম্প্রতি দেশে ফেরার আগে ফেসবুকে সেই দিনের কথা স্মরণ করেন জাইমা। লেখেন, তখন তার বয়স ছিল এগারো। গোলকিপার হিসেবে কীভাবে খেলেছিলেন, কীভাবে জিতেছিলেন, সবই দাদিকে উচ্ছ্বাস নিয়ে বলেছিলেন। আর দাদি মনোযোগ দিয়ে শুনেছিলেন প্রতিটি কথা। পরে সেই গল্প অন্যদের কাছেও গর্ব করে বলতেন তিনি।
সময় গড়িয়েছে অনেকটা। ১৭ বছর পর আবার দেশে ফিরেছেন জাইমা। এখন তিনি ত্রিশ ছুঁইছুঁই এক পরিণত মানুষ। লন্ডনে গিয়ে জীবন নতুন করে গড়েছেন তিনি। শেকড় ছাড়ার কষ্ট ছিল। ছিল নতুন পরিবেশের চ্যালেঞ্জও।
তবু থেমে যাননি। ম্যারিমাউন্ট গার্লস স্কুল থেকে ও-লেভেল সম্পন্ন করেন। এরপর কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। সবশেষে ঐতিহ্যবাহী ইনার টেম্পল থেকে বার-এট-ল শেষ করে ব্যারিস্টার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জাইমা রহমান।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএইচ