ফার্মে নেই গরু। নেই দুধ দোহনের কোনো ব্যবস্থা। অথচ প্রতিদিন মণকে মণ ‘দুধ’ তৈরি হচ্ছে। পরে সেই তরল পৌঁছে যাচ্ছে বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের চিলিং সেন্টারে।সয়াবিন তেল, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, ইউরিয়া সার, ডিটারজেন্ট পাউডার ও কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে এই নকল দুধ। পরে বাহারি মোড়কে তা পৌঁছে যাচ্ছে শিশু, রোগীসহ সাধারণ মানুষের কাছে।