শিরোনাম
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯:০৯, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু।
সূত্র জানায়, গত ১২ অক্টোবর রাত ৮টা ৫৩ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মুঠোফোনে কথা বলে তাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিংড়া আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে ‘গ্রীন সিগন্যাল’ দেন বলে আনুর অনুসারীরা দাবি করছেন।
অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বর্তমানে নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে তিনি সিংড়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে কয়েক মাস দায়িত্ব পালন করেন।
তবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই স্থানীয় বিএনপির একাংশে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ- আনোয়ারুল ইসলাম আনু দলের জন্য কোনো ত্যাগ স্বীকার করেননি, এমনকি বিরোধী দলে ১৭ বছর থাকার পরও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি কিংবা জেল খাটেননি।
একজন স্থানীয় নেতা বলেন, যিনি এসি রুমে বসে জীবনযাপন করেন, তারেক রহমানের মতো নেতার ‘গ্রীন সিগন্যাল’ তিনি কীভাবে পেলেন? আওয়ামী লীগের সাবেক প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী পলকের শ্বশুর হয়েও যার নামে কোনো মামলা হয়নি, তাকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মেনে নেওয়া কঠিন।
অন্যদিকে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নাটোর–৩ (সিংড়া) আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী দাউদার মাহমুদ বলেন, গ্রীন সিগন্যালের বিষয়টি আমি জানি না। যদি তাকে (আনু) গ্রীন সিগন্যাল দেওয়া হয়, তাহলে আমাকে হয়তো ‘রেড সিগন্যাল’ দেওয়া হবে। তবে আমি একজন আদর্শিক বিএনপি কর্মী হিসেবে তারেক রহমান সাহেব যেভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন, দলের স্বার্থে সেভাবেই কাজ করব।
এ বিষয়ে নিজ প্রতিক্রিয়ায় অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে ফোন করে গ্রীন সিগন্যাল দিয়েছেন। আত্মীয়তা বা পারিবারিক সম্পর্ক রাজনৈতিক যোগ্যতার বিকল্প নয়। আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত; আমি যখন দল করেছি, তখন অনেকের জন্মও হয়নি।
এদিকে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে- পলকের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হয়েও আনু কীভাবে বিরোধী দলের টিকিট পেলেন।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে