শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯:০০, ৩ অক্টোবর ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘হার্ট অব দ্য এডুকেশন মিনিস্ট্রি’ বা ‘কাবাঘর’ হলো ডাইরেক্টরেট অব ইনস্পেকশন অ্যান্ড অডিট (ডিআইএ)। প্রতিষ্ঠানটিকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
আজ শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. মিলন বলেন, নিজের বিবেচনা ও ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টের ভিত্তিতে যোগ্য মনে করা ব্যক্তিদের ডিআইএতে আনা হচ্ছে।
পাঠ্যবই ছাপার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়মতো পাঠ্যবই ছাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারও পাঠ্যবইয়ের মান ভালো হবে বলে তিনি আশাবাদী।
সবার সহযোগিতা পেলে সময়মতো বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রিন্টার্স একবার প্রতারণা করলে ভবিষ্যতে তাকে আর বই ছাপার সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে স্থানীয় শিল্পের বিকাশে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। তাই প্রিন্টার্সদের ভেবেচিন্তে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ভারত থেকে পাঠ্যবই ছাপিয়ে আনা হতো। এবার মুদ্রণের মানে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেলেও স্থানীয় প্রিন্টার্সরা সহযোগিতা করছেন।
টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগের সরকার এ নিয়ে কাজ করলেও সেখানে ভুল হয়েছে। কচুয়ায় সাবেক এক মন্ত্রীর বাড়িতে একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, একটি কলেজকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তবে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তৃতীয় ভাষা চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। গত আট মাসে এ ক্ষেত্রে অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে। চীন থেকে শিক্ষক আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া চীনের কারিগরি শিক্ষার মডেল বাংলাদেশে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে ড. মিলন বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষা কিছুটা ভিন্ন ধারায় এগোচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রেও অগ্রগতি হচ্ছে। স্কুল ও মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে রেমিট্যান্স বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সৌদি আরবে একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই