শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০:২১, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:২৫, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়
খাবারে পিঁপড়া পাওয়া গেলে সাধারণত অভিযোগ ওঠে রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের একটি বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় মিষ্টান্ন সাজাতেই ব্যবহার করা হতো জ্যান্ত পিঁপড়া।
বিষয়টি ধরা পড়ার পর খাদ্য পরিচ্ছন্নতা আইন লঙ্ঘনের দায়ে রেস্তোরাঁটির মালিককে ১৫ মিলিয়ন ওন জরিমানা করেছেন স্থানীয় একটি আদালত। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থ প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।
রেস্তোরাঁ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানকেও ১০ মিলিয়ন ওন জরিমানা করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে মানুষের খাবার হিসেবে অনুমোদিত পোকামাকড়ের তালিকায় পিঁপড়া নেই। তালিকায় ঘাসফড়িং, পঙ্গপাল ও নির্দিষ্ট কিছু রেশম পোকা রয়েছে।
খাদ্য ও ওষুধ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় জানায়, রেস্তোরাঁটির অনলাইন রিভিউ ও ছবি দেখে প্রথম বিষয়টি নজরে আসে। পরে তদন্তে মিষ্টান্নের ১৫টি পদে পিঁপড়া ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়।
তদন্তে জানা যায়, প্রায় চার বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও থাইল্যান্ড থেকে পিঁপড়া আমদানি করছিলেন রেস্তোরাঁটির মালিক। মিষ্টান্নের টক স্বাদ বাড়ানো ও খাবারের সৌন্দর্য বাড়াতে এসব পিঁপড়া ব্যবহার করা হতো।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, বিষয়টি শুধু খাদ্যনীতিমালা লঙ্ঘনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরীক্ষায় পিঁপড়াগুলোর শরীরে ক্ষতিকর ভারী ধাতুর মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতিও পাওয়া গেছে।
বিচারক বলেন, এতে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই ঘটনাটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।
তবে আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে রেস্তোরাঁর মালিক বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে পিঁপড়া খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় এটি নিষিদ্ধ—এ বিষয়টি তিনি জানতেন না।
তিনি আরও বলেন, রেস্তোরাঁর বিশেষ ১৫ পদের মেনুর খুব অল্প কয়েকটি খাবারেই পিঁপড়া ব্যবহার করা হতো।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই