ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

১২ বৈশাখ ১৪৩২, ২৬ শাওয়াল ১৪৪৬

গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে পারে কাঁচা আম 

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭:২৬, ৪ এপ্রিল ২০২৫

গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে পারে কাঁচা আম 

গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে পারে কাঁচা আম 

গ্রীষ্মকালের কাঁচা আম একটি অতি জনপ্রিয় ফল। যখন আমরা এই টাটকা ফলটিকে মরিচ ও লবণ মাখিয়ে খাই তখন আমাদের শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। তাছাড়া কাঁচা আমের নাম শুনলেই মুখে পানি চলে আসে। গ্রীষ্মের শুরুই বাজারে এখন কাঁচা আম পাওয়া যায়। দামও নাগালেই থাকে। তবে কাঁচা আম যে শুধু মজার তা কিন্তু নয়, এটি পুষ্টিগুণেও বেশ সমৃদ্ধও।  

চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক কাঁচা আমের উপকারিতাগুলো কি কি -  

গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে কাঁচা আমের রস দারুণ কাজ করে।

কাঁচা আম মূলত শরীরের প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে, যা ঘাম ঝরানোর ফলে হারিয়ে যায়। তাই

এটি শরীরকে শীতল রাখতে সহায়ক। 

কাঁচা আম হজম সমস্যা সমাধানে কার্যকরী। এটি হজম রসের উৎপাদন বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য, অজীর্ণতা, অ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক এবং বমি বমি ভাবের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

কাঁচা আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন এবং ফাইবার হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কোলেস্টেরল কমাতে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

কাঁচা আম যকৃৎ পরিষ্কার করতে সহায়ক এবং এটি তেল শোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি গোপন বাইল অ্যাসিডের স্রাব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে যা টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

কাঁচা আম মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।

এটি দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কমাতে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক। পাশাপাশি খাওয়া থেকে দুর্গন্ধ দূর করতেও সাহায্য করে।

কাঁচা আমে প্রচুর ভিটামিন সি ও এ থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। এটি ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যও উন্নত করে এবং শরীরকে নানা ধরণের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

পরিমিত পরিমাণে কাঁচা আম বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপকারী। তবে বেশি পরিমাণে কাঁচা আম খেলে বদহজম, পেটে ব্যথা, আমাশয় এবং গলা জ্বালা হতে পারে। মনে রাখবেন, কাঁচা আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি পান করবেন না কারণ এটি জ্বালা বাড়ায়।
 

আরও পড়ুন