শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩:২৪, ৩০ আগস্ট ২০২৬
ফাইল ছবি
দ্রৌপদীর শাড়ি
রোদ্দুরের আঙুলে আঁকা
মেঘের চেরা সিঁথি
হঠাৎ খুলে দিলো স্মৃতির
অন্তহীন ফিতে।
এমনি এক মেঘলা দিন
সীমান্তের শাসনহীন,
ভবিষ্যত দেখা না যায়,
অতীত হ’লো হারা।
দুঃস্বপনে পড়িলো মনে
দ্রৈপদীর শাড়ি।
সেদিন মেঘে সোনার পাড়,
রৌদ্র ভিজে-ভিজে ;
গাছের গায়ে আছাড় দেয়
হাওয়ার হিজিবিজি।
দুপুর কেন বিকেল, আর
বিকেল হ’লো অন্ধকার ;
সন্ধ্যাকালে উচ্চহাসে
সূর্য পেলো ছাড়া।
দুঃশাসন করিলো পণ
দ্রৌপদীর শাড়ি।
ভাঙলো ঘুম, লাল আগুন
ধৈর্যহীন শিরায়
উল্লসিত হুল্লোড়ের
আনলো কড়া নাড়া।
আকাশে তারই স্বৈরাচার ;
কখনো নীল মেঘের ভার,
আলোর বাঘ কখনো ছায়া-
হরিণে করে তাড়া ;
আশার দাঁত চিবিয়ে ছেঁড়ে
দ্রৌপদীর শাড়ি।
স্বর্গে আর মর্ত্যো যেন
বাঁধিয়া দিলো সেতু
অচির-পরিবর্তনের
তুমূল মত্ততা।
আলো ছায়ার খেলার ঘরে
ভীষণ ঝড় ঝাঁপিয়ে পড়ে,
বজ্র শুনে লাফিয়ে ওঠে
বিদ্যুতের খাঁড়া ;
মুষলধারে সাহস টানে
দ্রৌপদীর শাড়ি।
প্রতিশ্রুত হাতুড়ি এলো
অন্ধকারে ছুটে,
বাড়ালো হৃৎপিণ্ড তার
চাঁদের মতো মুঠি।
আকাশ ভরে উঠলো সোর,
মন্ত্র-পড়া অন্তরাল
দিলো না তবু সাড়া।
অসম্ভব দ্রৌপদীর
অন্তহীন শাড়ি।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস