শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫:৪০, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
রাজধানীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। দিনের ব্যস্ত সময় থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে পথচারীদের টার্গেট করছে ছিনতাইকারীরা। টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ঘটছে প্রাণহানিও।
কোথাও মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্রের ভয় দেখানো হচ্ছে। আবার কোথাও পথচারীর গতিরোধ করে করা হচ্ছে ছিনতাই। একের পর এক ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তারের কথা বললেও ছিনতাই বন্ধ হচ্ছে না। ফলে জনমনে প্রশ্ন উঠছে, ছিনতাইকারীরা কি দিনদিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে?
সম্প্রতি রাজধানীতে বেশ কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে। গত ২৯ আগস্ট ভোরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন সড়কে ছিনতাইকারীদের হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে নিহত হন বগুড়ার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন।
এর আগে ২৬ জুলাই মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সামনে ছিনতাইকারীদের হাতে নিহত হন ২৫ বছর বয়সী ফজলে রাব্বি সুমন।
৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে পল্লবীর এ ব্লকের প্যারিস রোডসংলগ্ন কাঁঠালতলা মাঠে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন সজীব (২৪)। ২৯ আগস্ট কদমতলীতে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন জনি (৩৫)।
এ ছাড়া ১১ জুন শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন দুই পুলিশ সদস্য। এসব ঘটনায় জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বেশির ভাগ ছিনতাইকারী ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় পুলিশের তালিকায় প্রায় ১ হাজার ৩৪৩ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীর নাম রয়েছে। তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হন। পরে জামিনে বের হয়ে আবারও ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়েন।
পুলিশ সূত্র আরও জানায়, চিহ্নিত ছিনতাইকারীদের কেউ ঢাকায় অবস্থান করেন, আবার কেউ ভাসমান। তারা রাতে ঢাকায় ছিনতাই করে দিনের বেলায় ঢাকার আশপাশের জেলায় অবস্থান করেন। ফলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই