শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬:৩৮, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাইরে কিশোরের গুলিতে ১১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে মানিসা প্রদেশের তুরগুতলুতে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাটি পর্যটন শহর ইজমিরের কাছে।
দেশটির বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, হামলাকারী কিশোরকে দ্রুত শনাক্ত করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ঘটনার তদন্তে সন্দেহভাজনের বাবা-মা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে। হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি কীভাবে কিশোরটির হাতে গেল এবং সেটি কীভাবে সংরক্ষণ ও তদারকি করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া হামলার আগে কিশোরটি হয়রানির শিকার হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।
ঘটনার পর পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। আতঙ্কিত অভিভাবকরাও স্কুলের সামনে জড়ো হন।
ডএইচএ সংবাদ সংস্থা প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে কালো জিনস, কালো জ্যাকেট ও সবুজ পোশাক পরা এক তরুণকে রাস্তায় হাঁটতে দেখা যায়। তার হাতে লম্বা নলের একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইএইচএ প্রকাশিত একটি ছবিতেও একই ব্যক্তির বলে ধারণা করা এক তরুণকে দৌড়াতে দেখা যায়। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি জানিয়েছে, অস্ত্রটি ছিল শটগান।
স্কুলের বাইরে ধারণ করা ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে পুলিশ ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় এক নারীকে চিৎকার করতে দেখা যায়। অন্যরা স্কুলের বেড়ার পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই বিদ্যালয়ে দিনের সব ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।
তুরস্কে স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা বিরল হলেও গত এপ্রিলে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে পরপর দুটি হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দুটি ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এপ্রিল মাসে কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর গুলি চালায়। এতে একজন শিক্ষক এবং ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয় শিক্ষার্থী নিহত হয়। ঘটনাস্থলেই হামলাকারীর মৃত্যু হয়।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই