শিরোনাম
রাঙামাটি প্রতিদিধি
প্রকাশ: ১৩:৩৯, ১১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৩৯, ১১ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
রাঙ্গামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে যাতায়াতের প্রধান সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ করা হয়েছে। যে কারণে আটকা পড়েছেন সহস্রাধিক পর্যটক।
হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন তারা। কবে অবরোধ শেষ হবে, আর কখনই বা গন্তব্যে ফিরতে পারবেন; এ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে এ অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়।
স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছেন অবরোধকারীরা।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকেই সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। এতে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) নাম ব্যবহারকারী একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকে ধারাবাহিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে।
পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষার দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা বলেন, জেএসএস নামধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমরা এই অবরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকার তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এদিকে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের লাইনম্যান ইয়াছিন আরাফাত জানান, শনিবার সরকারি নিরাপত্তা বহর বা স্কর্টের সঙ্গে ছোট-বড় গাড়ি ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৯০টি যানবাহন সাজেকে প্রবেশ করেছে। এসব যানবাহনে প্রায় ৯০০-এর বেশি পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা বলেন, অবরোধের কারণে আগের মতো দুই দফার পরিবর্তে দুপুর ২টায় একবার স্কর্ট চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। ওই স্কর্টে পর্যটকদের সাজেক থেকে নামানো এবং নতুন পর্যটকদের প্রবেশের ব্যবস্থা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাঘাইছড়ি ইউএনও ও সাজেক থানার ওসি সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস