শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯:১৭, ৯ অক্টোবর ২০২৬
ফাইল ছবি
মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। তবে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রভাব এখনও দেশের বাজারে পড়েনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তাই আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ। এদিকে রুপার দামেও কোনো পরিবর্তন আসেনি।
দেশের বাজারে সর্বশেষ সোমবার (০৫ অক্টোবর) সকালে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাজুস। সোমবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে ভরিপ্রতি দাম কমানো হয় ১ হাজার ৬৯১ টাকা।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।
স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার অলংকারের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার অলংকারের দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার অলংকারের দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার অলংকারের দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই নির্ধারিত দামের বাইরে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি দিতে হবে। অর্থাৎ স্বর্ণ বা রুপার নির্ধারিত দামের সঙ্গে অলংকার তৈরির মজুরি যুক্ত হবে।
সংগঠনটির নির্দেশনা অনুযায়ী, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে বিনিময় ও পুরোনো অলংকার কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
বাজুসের পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত নতুন বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস