ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

৩ কার্তিক ১৪৩৩, ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ১২০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭:০৭, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ১২০০

ছবি : সংগৃহীত

ফ্রান্সে স্কুলের দুরবস্থা ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভ থেকে দেশজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

রাজধানী প্যারিসে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।

রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। লিমোজ শহরের সিটি হলে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে ভবনটির ছাদের একাংশ ধসে পড়ে। কয়েকটি শহরে দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু জানিয়েছেন, এসব ঘটনায় প্রায় ১৫০ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

প্যারিসে বিকেলে মূল মিছিলটি মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। শহরের কেন্দ্রস্থলের প্লাস দ্য লা রিপাবলিক এলাকায় আগুন জ্বালানো ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে লুট করা হয়। একটি রেস্তোরাঁও আগুনে পুড়ে যায়।

লিয়ঁ শহরের মেয়র গ্রেগরি দুসেত শহরের পর্যটন দপ্তরের ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘ট্র্যাজেডি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ও পরিচিত একটি ভবনের এমন ক্ষতি তাদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, কিছু ব্যক্তি অগ্নিনির্বাপকদের আগুন নেভানোর কাজে বাধা দিয়েছেন।

লিমোজ শহরের সিটি হলের আগুন নেভাতে কাজ করেন দমকলকর্মীরা। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আগুনে ভবনটির একাংশ ধসে পড়েছে।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সাঁ-এতিয়েন শহরের মেয়র রেজিস হুয়ানিকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, গ্রেনেড বিস্ফোরণে এক তরুণের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তিনি এ ঘটনাকে মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেন।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্যারিসের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও মার্সেই, রেন, তুলুজ ও আঞ্জে শহরে মুখোশ পরা ব্যক্তিরা পরিকল্পিত সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই

আরও পড়ুন