শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:২২, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের নাগছু শহর থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বের একটি পাহাড়ি এলাকায়। অঞ্চলটির রাজধানী লাসা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির প্রতিবেদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পে ৪৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ছাড়া প্রাকৃতিক এ দুর্যোগে ৩৩৯টি ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ জোরদার করা হয়েছে।
নিখোঁজ ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে সহায়তার জন্য ইতোমধ্যে তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, ভূকম্পন শুরু হতেই আতঙ্কিত মানুষ রেস্তোরাঁ থেকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসছেন। সুপারমার্কেটের তাক থেকেও পণ্য হুড়মুড় করে নিচে পড়ে যেতে দেখা যায়।
এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিব্বতের গ্রামীণ এলাকা তিংশি কাউন্টিতে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। কয়েক সপ্তাহ আগেই নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় আগস্টে দেখা দেওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ওই বন্যার উৎপত্তিস্থল ছিল নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকা। বন্যায় নেপালের উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ও ভবন ভেসে যায়।
এদিকে ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, একই দিন ভারতীয় সময় রাত ৮টা ২৯ মিনিটে চীনে ৫ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার। ভূমিকম্পটি অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে আঘাত হানে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস