শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭:৫২, ২ অক্টোবর ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
শিশু-কিশোরদের অপরাধে জড়ানোর পেছনে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তারা এ আহ্বান জানান।
‘মূল্যহীন শৈশব-কৈশোর: শিশু নিয়োগ, প্রাপ্তবয়স্কের দায়মুক্তি ও সুরক্ষার অনভিপ্রেত মূল্য’ শীর্ষক সভার আয়োজন করে অ্যাসেন্ড।
অ্যাসেন্ডের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কে এম জাহিদুল ইসলাম বলেন, কিশোরদের ‘কিশোর গ্যাং’-এ কারা যুক্ত করছে, তা খুঁজে বের করা জরুরি। ‘গডফাদারদের’ আইনের আওতায় আনতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
অ্যাসেন্ডের পরিচালক অধ্যাপক পারভেজ আহমেদ বলেন, শিশুদের অপরাধে জড়ানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। পাশাপাশি সামাজিকভাবেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বক্তারা বলেন, শিশুদের সুরক্ষায় দেশে আইন থাকলেও শিশুদের অপরাধে নিয়োজিত করার দায়ে কোনো প্রাপ্তবয়স্কের দণ্ডের নজির পাওয়া যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মু রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, শিশু-কিশোরেরা সহজেই অপরাধের শিকার হচ্ছে। অভিভাবকদের নজরদারির ঘাটতি ও মাদকের সহজলভ্যতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক মার্ক এ ড্রাম্বল বলেন, কিশোর অপরাধের পাশাপাশি অস্ত্র ও মাদকের ব্যবসাও চলে। এসব চক্রে শিশুদের কারা যুক্ত করছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করা দরকার।
আয়ারল্যান্ডের গবেষক ক্যাথরিন নটন শিশুদের দিয়ে অপরাধ করানোর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের নাম অবিলম্বে প্রকাশের আহ্বান জানান।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি এস এম তাসমিরুল ইসলাম বলেন, সঠিক তদন্তের অভাবে অনেক সময় অপরাধের হোতাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয় না।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের সুরক্ষায় নীতিগত অগ্রাধিকার, নৈতিক মূল্যবোধ ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দেন তারা।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই