শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:৫৪, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৮:৫৫, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে টাঙ্গানিকা হ্রদে প্রায় ১০০ যাত্রী ও পণ্যবোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অন্য যাত্রীদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে ডিআর কঙ্গোর কালেমি শহরের উদ্দেশে রওনা হয় নৌকাটি। পথে কঙ্গোর মাপেরা গ্রামের কাছে টাঙ্গানিকা হ্রদে সেটি ডুবে যায়।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ডিআর কঙ্গোর টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোয়ি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেছেন, নৌকাটিতে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও পণ্য ছিল। নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের একজন অ্যানি মোয়োনি জাতিসংঘ-সমর্থিত কঙ্গোর সম্প্রচারমাধ্যম রেডিও ওকাপিকে জানান, রাত প্রায় ১টার দিকে যাত্রীদের ঘুম ভাঙে। তখন তারা দেখতে পান, নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে গেছে।
নৌকাটি কেন ডুবে গেল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এপির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিআর কঙ্গোতে নৌকাডুবির ঘটনায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির নৌযানগুলোতে প্রায়ই অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বহন করা হয়। অনেক নৌযানে পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেটও থাকে না।
ডিআর কঙ্গোর অনেক মানুষের জন্য নৌপথে যাতায়াত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সবচেয়ে সস্তা ও সহজলভ্য মাধ্যম। দেশটি বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র রাষ্ট্র। ১০ কোটির বেশি মানুষের জন্য সেখানে পর্যাপ্ত অবকাঠামোও নেই।
এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কিগোমা-কালেমি নৌপথে এটি দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনা। রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, গত ২৮ আগস্ট জ্বালানি তোলার সময় কিগোমা বন্দরে কঙ্গোর নৌযান এমভি প্যাসিফিকেতে আগুন ধরে যায়। পরে সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে রেডিও ওকাপি জানায়, ওই ঘটনায় নৌযানটির ছয়জন কর্মী নিহত হন। আরও একজন নিখোঁজ হন। কিগোমা ও কালেমির মধ্যে চলাচলকারী নৌযানটি জ্বালানি পরিবহনে ব্যবহৃত হতো।
এর আগে গত জুলাইয়ে কঙ্গোর মধ্যাঞ্চলে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে যায়। ওই ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিহত হন।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস