ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮

সোনাইমুড়ীতে দুই সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০:২০, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:২২, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাইমুড়ীতে দুই সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, মানববন্ধন

ছবি : সংগৃহীত

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এতিমখানার দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও মামলা রেকর্ড না করার অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। বুধবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়ন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোনাইমুড়ী ফয়েজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসায় এতিমদের সরকারি বরাদ্দ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফ।

তাদের অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর ১৮ সেপ্টেম্বর আলোচনার কথা বলে হানিফ ও সাংবাদিক মনিরুজ্জামানকে ডেকে নেন এতিমখানার মুহতামিম শফিকুর রহমান। সেখানে শফিকুর ও তার সহযোগীরা তাদের মারধর করে আহত করেন।

পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সোনাইমুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন দুই সাংবাদিক। তবে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড না করে সময়ক্ষেপণ করছে বলে মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়।

এ সময় রেস্তোরাঁর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ না করার অভিযোগও করেন সাংবাদিকরা। একই সঙ্গে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পাল্টা চাঁদাবাজির অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানান তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সোনাইমুড়ী ফয়েজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসার মুহতামিম শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এতিমখানা নিয়ে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এতিমদের সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ করা হয়নি।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতাহের হোসেন মানিক বলেন, সরকারি বরাদ্দ নিয়ম মেনেই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে খরচ করা হয়। এখানে টাকা আত্মসাতের সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, চড়ুইভাতি রেস্তোরাঁয় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছে। সেখানে মোহতামিম শফিকুর রহমান ছিলেন না। অন্যদের হামলায় সাংবাদিক হানিফ আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে তার দাবি, পরে হানিফও লোকজন নিয়ে শফিকুর রহমানের ধানসিঁড়ি রেস্তোরাঁয় হামলা চালান। দুই ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, সাংবাদিকের অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলা রেকর্ডের জন্য বাদীকে এফআইআরে স্বাক্ষর করতে থানায় আসতে বলা হয়েছিল। তিনি না আসায় মামলা রেকর্ড করা হয়নি। বাদী এলেই মামলা রেকর্ড করা হবে।

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন