শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮:৪৬, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার উপ-অর্থমন্ত্রী লিউ চিন টং।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরের একটি স্থানীয় হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন।
লিউ চিন টং বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যবস্থা আরও আধুনিক করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ইসলামিক ফাইন্যান্সিংয়ের সম্প্রসারণ, উদ্ভাবনী আর্থিক পণ্যের উন্নয়ন ও কার্যকর আর্থিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগতে পারে।
বৈঠকে তাসকীন আহমেদ বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ প্রায় ২ দশমিক ২৯৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার পাশাপাশি সরকারগুলোর আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সরবরাহ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রণোদনা ও বিনিয়োগ-সহায়ক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন বলেও জানান তিনি। এতে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে উঠতে পারে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই