শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯:৩৫, ৬ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৯:৩৯, ৬ নভেম্বর ২০২৬
আমির হামজা ও রাশেদ খাঁন। ছবি : সংগৃহীত
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার কথিত নারীঘটিত ঘটনা সম্পর্কে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান আগে থেকেই অবগত ছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। জাতীয় নির্বাচনের আগেই বিষয়টি নিয়ে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, আমির হামজার কথিত ঘটনা সম্পর্কে জামায়াতের আমির জানতেন। এমনকি বিষয়টি সামনে আসার পর ইসলামি বক্তা তারেক মনোয়ার তাঁকে স্মার্টফোনের পরিবর্তে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, কুষ্টিয়া-৩ আসনে যোগ্য প্রার্থী না থাকায় আমির হামজাকে মনোনয়ন দিয়েছিল জামায়াত।
কথিত অডিও-ভিডিওর তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ার দুই শিক্ষার্থীর মাধ্যমে এসব তথ্য পেয়েছেন। অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ে দ্য ডিসেন্ট ও রিউমর স্ক্যানারের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন তিনি।
রাশেদ খাঁনের দাবি, দ্য ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। পরে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিওর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। দলটির আমিরের উদ্দেশে তিনি জানতে চান, আমির হামজার মাধ্যমে জামায়াত কেমন আইন ও শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
একই সঙ্গে কথিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার এবং সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগে বাধ্য করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পোস্টে আমির হামজার কথিত অডিও ও ভিডিও ফাঁসের দাবি করেন রাশেদ খাঁন। ওই পোস্টে তিনি তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে এসব অডিও-ভিডিওর সত্যতা পাওয়ার কথা জানান।
এ ছাড়া আমির হামজার বলে দাবি করা একটি কথোপকথনের অংশও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘ওটুকু আমার শয়তানের ধোঁকায় হোক, নফসের জালে হোক, হয়ে যাওয়ার পরে আমি নিজেই অনুতপ্ত।’
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই