শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১:২৬, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ফাইল ছবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার পর তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির হন।
দুই আইনজীবী হলেন এম হাসানুজ্জামান তুষার ও মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী। তাদের পক্ষে শুনানি করবেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর এ দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা আদালত অবমাননার অভিযোগের শুনানি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। সেদিন তাদের ২৩ সেপ্টেম্বর হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ওই দিন হাজির হওয়ার পর শুনানির জন্য ২৬ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেন, সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী এ রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। তাদের পোস্ট আদালতের নজরে আনা হয়েছে।
দুই আইনজীবীর একজন পোস্টে লেখেন, ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের অবৈধ, মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন রায়ের তীব্র নিন্দা জানাই এবং ঘৃণ্যভাবে এই রায় প্রত্যাখ্যান করি। রাজপথে হবে সব কিছুর ফয়সালা।’
ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে আরেক আইনজীবী লেখেন, ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের অবৈধ রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ফরমায়েশি রায় প্রত্যাখ্যান করছি।’
এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
এ মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইসরাত জাহান। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামীম।
ওবায়দুল কাদের ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস