শিরোনাম
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮:৩৯, ৪ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৪৭, ৪ নভেম্বর ২০২৬
ফাইল ছবি
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমণি আদালতে হাজির হননি। তাঁর আইনজীবী সময়ের আবেদন করে জানান, অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।
এ সময় বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। পরে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে পরীমণির জামিন বাতিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় পরীমণিসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সেদিনও পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ২০২৪ সালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে পরীমণি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পরে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমণি ও জিমকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।
২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন পরীমণির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি এবং জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।
মামলার এজাহারে নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে পরীমণি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে যান। সেখানে অ্যালকোহল পান এবং একটি ব্লু লেবেল বোতল বিনা মূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন তাঁরা।
এজাহারে আরও বলা হয়, বোতলটি দিতে রাজি না হওয়ায় নাসিরের সঙ্গে পরীমণির বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে পরীমণি তাঁর দিকে একটি সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন। এতে নাসির মাথা ও বুকে আঘাত পান বলে অভিযোগ করা হয়।
নাসিরের অভিযোগ, পরীমণি ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে মারধর, হত্যার হুমকি এবং ক্লাবে ভাঙচুর করেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে পরীমণি সাভার থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ঢাকা এক্সপ্রেস এর ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করুন।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই