ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

১৯ কার্তিক ১৪৩৩, ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

সানীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মৌসুমী

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:৪৯, ৩ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫০, ৩ নভেম্বর ২০২৬

সানীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মৌসুমী

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। প্রায় তিন বছর ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতিও পেয়েছেন। আজ এই নায়িকার জন্মদিন। জন্মদিন উদযাপনসহ ক্যারিয়ারের নানা বাঁকের কথা জানিয়েছেন তিনি।

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি মৌসুমী ও ওমর সানী। এই দম্পতির দীর্ঘ ২৭ বছরের সংসার, সন্তান ও ক্যারিয়ার নিয়েও অনেক আলোচনা চলছে। একটা সময় তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মৌসুমী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমি যত বড় ও বিখ্যাতই হই না কেন, আমার নিন্দুক থাকবেই। তারা কখনো ভালো বলবে না। তাদের চোখে আমি সবসময়ই খারাপ। তারা আমার কাজগুলো দেখুক, কাজের চুলচেরা বিশ্লেষণ করুক। তাতে আমি আরও ভালো করব। জীবনে নিন্দুক থাকাটাও জরুরি। তারাও অনেক সময় অনুপ্রেরণার।’

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আর সানী দুজনে একসঙ্গে যেমন অনেক কাজ করেছি, আলাদাভাবেও করেছি। সেসব কাজে সুনাম হয়েছে, দুর্নামও হয়েছে। তবে কাজ করে জীবনে সুখ্যাতিই এসেছে বেশি। দীর্ঘদিনের চলার পথে আমি হয়ে উঠেছি সবার প্রিয় মৌসুমী। বিখ্যাত হতে গেলে অনেক সময় অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এ সময় এসে তো নানা বুলিংয়ের শিকার হতে হয়।’

ঢাকা এক্সপ্রেস এর ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করুন

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সময় আমাদের সংসার জীবন নিয়ে হলুদ সাংবাদিকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সেসব ঠান্ডা মাথায় প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছি। আমি আর সানী সেসব গুরুত্ব না দিয়ে জীবনে কখনো কাউকে কোনো পরিস্থিতিতেই ছেড়ে যাব না—এ মানসিকতা নিয়ে একে অন্যের হয়েছিলাম। তাই আজীবন একসঙ্গেই থাকব।’

এক প্রশ্নের জবাবে মৌসুমী বলেন, ‘তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু দুজন দুজনকে ছেড়ে যাব না কখনো—এ অঙ্গীকার নিয়েই ভালোবেসেছিলাম, কাছে এসেছিলাম। একসময় সংসার জীবন শুরু হলো। আমার কাজের চাপ এতটাই বেড়ে গেল যে পরিবারকেই সময় দিতে পারছিলাম না। নিজের স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত সুখ ও মানসিক শান্তির সঙ্গে আপস করেই কাজ করে যেতে হয়েছে। তবে কাজ শেষে আমি আমার পরিবারের কাছেই ফিরে গিয়েছি। কারণ সবকিছু শেষে আমি আমার পরিবারের মাঝেই শান্তি খুঁজে পেয়েছি।’

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস

আরও পড়ুন