শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:০০, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ফাইল ছবি
দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মোট রিজার্ভ বা গ্রস রিজার্ভের হিসাবের ক্ষেত্রে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এসব তহবিলের মধ্যে রয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল, গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড, বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধা। এসব তহবিলের অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইচ্ছা করলেই যেকোনো সময় ব্যয় করতে পারে না।
যেমন, বিমান কেনার জন্য সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার এবং রপ্তানি কার্যক্রমে বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের দেওয়া অর্থ এসব তহবিলের অন্তর্ভুক্ত।
গ্রস পদ্ধতি মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব রিজার্ভ হিসাব পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ৬৩৮ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ডলার বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল, গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড, বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধাসহ বিভিন্ন তহবিলের অর্থ বাদ দিয়ে হিসাব করা হয়। এ পদ্ধতিতে বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ১৫৭ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব বা গ্রস পদ্ধতি এবং আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতি—উভয় হিসাব থেকেই সব ধরনের বৈদেশিক মুদ্রার দায় বা স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে প্রকৃত ও তরল অর্থ অবশিষ্ট থাকে, তাকে এনআইআর বা নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ বলা হয়।
এই অর্থই কেন্দ্রীয় ব্যাংক জরুরি প্রয়োজনে কিংবা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে সরাসরি ব্যবহার করতে পারে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস