শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮:৪২, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব জোরদারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় বড় কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিভিন্ন দেশের নেতাদের অবস্থানেও তাঁর নীতির প্রতি অনাগ্রহের বিষয়টি উঠে এসেছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে কঠোর ভাষণে বক্তব্য দেওয়ার পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। তবে বৈঠক থেকে বড় কোনো অগ্রগতি আসেনি।
জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে রাজি না হলে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দেন। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নেন। আন্তর্জাতিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিতও দেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এসব অবস্থানের বিপরীতে বিভিন্ন দেশের নেতাদের ভিন্নমত দেখা গেছে। ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় ও এশীয় মিত্রদের অনেকে তাঁর আহ্বানে সাড়া দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বিশ্বকে ‘জঙ্গলের আইনে’ ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। শক্তি ও জবরদস্তির পরিবর্তে তিনি ‘সভ্য আন্তর্জাতিক সমাজ’-এর পক্ষে অবস্থান নেন।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাও বিদেশি হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, বিমানবাহী রণতরীর পরিবর্তে অপরাধে অর্থ ও অস্ত্রের প্রবাহ বন্ধে সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য ইরান যুদ্ধ অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলের সঙ্গে মিলে শুরু হওয়া সংঘাত প্রায় সাত মাস ধরে চলছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং সংঘাত ইয়েমেন ও লোহিত সাগর পর্যন্ত ছড়িয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং ট্রাম্পের জনসমর্থনে চাপ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। বৈঠক থেকে এটিই সবচেয়ে দৃশ্যমান ফল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই