শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:৩১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
নেপালে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
সতর্কবার্তায় সব বাংলাদেশি পর্যটক ও ট্রেকারকে নেপালে ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে পিসাং, চামে, মানাং ও আশপাশের পর্যটন এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধস ও তুষারপাতের ফলে অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি এবং যোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রমও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ ছাড়া ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ এবং নিকটবর্তী ট্রেকিং গন্তব্যে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় পোখারা ও আশপাশের এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। মুস্তাং, জমসমসহ অন্যান্য পার্বত্য এলাকায় ভ্রমণের আগে গান্দাকি প্রদেশের বিভিন্ন সড়কের যোগাযোগ পরিস্থিতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ এসব সড়কের যোগাযোগব্যবস্থা যেকোনো সময় বিঘ্নিত হতে পারে।
এ কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের অন্নপূর্ণা, মানাং, মুস্তাং ও মানাসলু অঞ্চলসহ বিভিন্ন পার্বত্য ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় ট্রেকিং, পর্বতারোহণ ও ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে সব তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নেপাল সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
দূতাবাস জানিয়েছে, তারা নেপালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী হালনাগাদ তথ্যও প্রকাশ করা হবে।
প্রসঙ্গত, নেপালে ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নেপালি নিখোঁজ হয়েছেন। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে হেলিকপ্টার পৌঁছাতে পারছে না বলে জানিয়েছেন ট্রেকিং কর্মকর্তারা। ফলে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, দেশটির মানাং জেলার নার ফু এলাকায় হিমলুং হিমালে ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন হিমালয়ান হলিডেজ ট্রেকিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিভূতি চাঁদ ঠাকুর।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস