শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪:০৭, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
বেলুড়
আমি একটা কোনায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম।
দুটি ছেলে গেরুয়া বসন পরে
মন্দিরের সিঁড়ি মুছছিল।
এত মন দিয়ে
আমি কাউকে সিঁড়ি মুছতে দেখিনি
এত ভালবাসা দিয়ে
আমি কাউকে ধুলো তুলতে দেখিনি।
সিঁড়ি নয়
যেন জননীর ত্বক থেকে
ধুলো তুলছিল।
এভাবে কেউ সিঁড়ি থেকে
ধুলো মুছতে পারে
এ আমি কোথাও দেখিনি।
স্থিতপ্রজ্ঞ মহারাজকে জিজ্ঞাসা করলাম
এই ছেলে দুটি কে?
মহারাজ মৃদু হেসে বললেন
একজন নিউক্লিয়ার ফিজিসিস্ট
একজন আইবিএম-এর ছ লাখ টাকার চাকরি ছেড়ে এখানে এসেছে।
সিঁড়ি ধুতে এসেছে, যে সিঁড়ি দিয়ে মানুষ ওপরে ওঠে
তা যেন পরিস্কার হয়।
মহারাজ চলে গেছেন, সন্ধ্যা নেমে আসছে গঙ্গায়
আমার ভেতরেও নামছে সন্ধ্যা
সারা পৃথিবীতে এত সিঁড়ি
সিঁড়িতে সিঁড়িতে এত দাগ
এত ক্রোধ
এত অপমান?
আরতি শুরুর আগে মনে হল
যে সিঁড়ি মুছতে পারে না, সে
কোনদিন
মানুষের চোখের জল মুছতে পারবে না।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস