শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১০:১২, ১১ অক্টোবর ২০২৬
ফাইল ছবি
নতুন করে আরেকটি যুদ্ধে জড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে একের পর এক যুদ্ধে জড়াচ্ছেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময়, জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের হামলাকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে তার কথা বলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলাটি অগ্রহণযোগ্য এবং এ বিষয়ে তিনি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হুথিদের যোগাযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা যা করেছে তা অত্যন্ত খারাপ।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যোগ দেওয়া উচিত কি না, তা তিনি বিবেচনা করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা হয়তো যোগ দিতে পারি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। আমরা সবেমাত্র সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে জানতে পেরেছি। তাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেব।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, হুথিদের হামলায় একজন আমেরিকান নিহত হয়েছেন এবং তিনি ‘এ ধরনের নিন্দনীয় হামলা’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি এক্স বার্তায় লিখেছেন, ‘আমরা সৌদি আরব ও সে দেশের জনগণের পাশে আছি এবং হতাহত ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সৌদি ভূখণ্ডে চালানো সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই হামলায় বিমানবন্দরে ১২ জন নিহত ও শত শত মানুষ আহত হন। এর জেরে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট রোববার ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে কঠোর ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়।
জোটটি কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটিকে দায়ী করে এবং ঘটনাটিকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে। একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, হামলাটি একটি ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে চালানো হয়েছিল।
ইয়েমেনের রিয়াদ-সমর্থিত সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সংঘাতের সময় হওয়া যুদ্ধবিরতি গত জুলাই মাসে ভেঙে পড়ার পর থেকে সৌদি আরবের ওপর হুথিদের নজিরবিহীন হামলার ধারাবাহিকতায় এই সর্বশেষ হামলাটি ঘটল।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস