শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩:২৪, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী বিলিয়নিয়ারদের একজন লুয়ানা লোপেস লারা। তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি। এত বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও তাঁর দৈনন্দিন জীবনযাপনে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।
প্রেডিকশন মার্কেট প্ল্যাটফর্ম কালশির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) লুয়ানা সম্প্রতি মার্কিন সাময়িকী ফরচুনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনযাপন ও কাজের অভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন।
ব্রাজিলীয় এই উদ্যোক্তা জানান, প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করা এবং ছুটি না নেওয়ার অভ্যাস এখনো আগের মতোই রয়েছে। কালশি প্রতিষ্ঠা ও এগিয়ে নেওয়ার কাজে তিনি বরাবরই নিবেদিত বলে জানিয়েছেন।
নিজের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে কি না, এমন প্রসঙ্গে লুয়ানা বলেন, তাঁর জীবনে খুব বেশি কিছু বদলায়নি। তবে মাঝেমধ্যে ভালো খাবারের জন্য একটু দামি রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
প্রযুক্তি খাতে আসার আগে ব্রাজিলে পেশাদার ব্যালেরিনা হওয়ার প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন লুয়ানা। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা এই উদ্যোক্তার কাছে বিলিয়নিয়ার পরিচয় এখনো পুরোপুরি বাস্তব বলে মনে হয় না। বন্ধুদের সঙ্গে ভালো খাবার খাওয়া কিংবা পরিবারকে নিয়ে ভ্যাটিকান সিটিতে বড়দিনের প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার মতো বিশেষ অভিজ্ঞতাই তাঁর বিলাসিতার মধ্যে পড়ে।
নিজের সম্পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্যকে জীবনের চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখেন না লুয়ানা। বরং কালশিকে আরও এগিয়ে নেওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
কালশির দ্রুত উত্থান
কালশি এমন একটি প্রেডিকশন মার্কেট প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নির্বাচন, খেলাধুলা ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভবিষ্যৎ ঘটনার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে চুক্তি লেনদেন করতে পারেন।
প্রতিষ্ঠানটির মূল্যায়ন দ্রুত বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে খেলাধুলাসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়েছে কালশি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ কেউ এসব চুক্তিকে অবৈধ জুয়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তবে কালশির দাবি, এটি প্রচলিত স্পোর্টসবুক নয়; বরং ফেডারেল পর্যায়ে নিয়ন্ত্রিত একটি আর্থিক এক্সচেঞ্জ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ব্যবসায়িক মডেল প্রচলিত স্পোর্টসবুকের মতো নয়।
কালশির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী তারেক মনসুরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, চলমান আইনি বিরোধ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই