ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

৬ কার্তিক ১৪৩৩, ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

এনসিপি-জামায়াতকে নিয়ে রাশেদ খানের বিতর্কিত মন্তব্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮:২১, ২১ অক্টোবর ২০২৬

এনসিপি-জামায়াতকে নিয়ে রাশেদ খানের বিতর্কিত মন্তব্য

ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তাঁর দাবি, এনসিপি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধীদের পুনর্বাসন করছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে রাশেদ খান বলেন, তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তাঁর ওপর দায় চাপাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, সে সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তবে তখন জামায়াতের কোনো নেতাকে রাজপথে নেমে এ ধরনের প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপির নেতাদের সমালোচনা করে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, দলটির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন ব্যক্তি চুরি, নারীসংক্রান্ত বিতর্ক ও চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এসব কারণে দলটি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাদের নীতি জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খান বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছিলেন বলে তিনি মনে করেন। আন্দোলনকারীদের একসময় যারা সমালোচনা করেছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ এখন জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তুলে রাশেদ খান বলেন, ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে দলটি আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগসন্ধানীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাঁর ভাষায়, দলটি এখন এসব ব্যক্তির পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন