শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১০:২৬, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান বিমান হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের কাছে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, উন্নত প্রযুক্তির পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিক্রি করতে ব্যয় হবে ২১০ কোটি ডলার। এ অর্থের পুরোটা ইউরোপের মিত্র দেশ ও কানাডা বহন করবে।
এদিকে, শুক্রবার রাতে জেলেনস্কি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্রুত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন। রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে প্যাট্রিয়টের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কিয়েভ।
চলতি মাসের শুরুতে জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার চুক্তির অংশ হিসেবে মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল ওয়াশিংটন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউক্রেন।
একপর্যায়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করার জন্য ইউক্রেনের নতুন নেতা প্রয়োজন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর আগে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ও পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের কিছু এলাকা দখল করে নেয় মস্কো।
তবে গত ২০ অক্টোবর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসে।
শুক্রবারের বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, প্রস্তাবিত এ অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা একটি অংশীদার দেশের নিরাপত্তা জোরদার হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পূরণেও সহায়ক হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ের অনুদানের মাধ্যমে এ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার অর্থ জোগাবে ইউক্রেন। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউক্রেন সহায়তা ঋণের আওতায় জাতীয় তহবিল থেকেও অর্থ দেওয়া হবে। এ অর্থায়ন করা হবে জাম্পস্টার্ট কর্মসূচির মাধ্যমে।
ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে থাকবে মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন। এ বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সরকারি অর্থ ব্যয় হবে না বলেও জানিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস