শিরোনাম
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮:০৩, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
গর্ভাবস্থায় মা ও অনাগত শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ডেঙ্গু। তাই অন্তঃসত্ত্বা নারীর ডেঙ্গু শনাক্ত হলে শুরু থেকেই চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীরা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
গাইনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জ্বর হলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিবিসি পরীক্ষা করতে হবে। ডেঙ্গু হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না।
প্রস্রাব কমে যাওয়া, অতিরিক্ত দুর্বলতা, পেটব্যথা, বারবার বমি কিংবা শরীরে লাল ছোপ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। জ্বর কমে যাওয়ার সময়টিও বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ সময় চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হবে।
প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নাহিদা নাজনীন বলেন, গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গুর বড় ঝুঁকি হলো রক্তপাত। তাই স্বাভাবিক প্রসব বা অস্ত্রোপচার—দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। ডেঙ্গু আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা নারীর জন্য প্রয়োজনীয় রক্তদাতা প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, খুব প্রয়োজন না হলে ডেঙ্গু আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা রোগীর অস্ত্রোপচার বা ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে প্রসব করানো উচিত নয়। পর্যাপ্ত তরল পান, সম্পূর্ণ বিশ্রাম এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সিবিসি ও আল্ট্রাসনোগ্রাম করার কথাও জানান তিনি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে এডিস মশা থেকে সুরক্ষিত রাখতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার, ফুলহাতা পোশাক ও মোজা পরার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জ্বরের পাশাপাশি অন্য কোনো অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলেও দ্রুত ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো উচিত। কারণ উপসর্গ ছাড়াও ডেঙ্গু হলে অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিতে
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই