শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪:২৪, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অ্যাডভোকেট সালেহা ফেরদৌস সিদ্দিকি

নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো অগ্নি বা ভূমিকম্পজনিত দুর্ঘটনা মোকাবিলার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য জরুরি এই অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণগত ঘাটতি অগ্রহণযোগ্য। সেখানে নিয়মিত অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প মহড়া, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে নিরাপত্তা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও অ্যালার্ম স্থাপন এবং নিরাপদ প্রস্থানপথ ও প্রাথমিক চিকিৎসা কিট নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ জাতীয় ভবন নির্মাণ বিধিমালা (বিএনবিসি) ২০২০ অনুসারে ভূমিকম্প ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে সাম্প্রতিক কয়েকটি ট্র্যাজেডির দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড, ২০২৫ সালে মাইলস্টোন স্কুলের জেট দুর্ঘটনা এবং ২০২১ সালে সিলেটে সংঘটিত ভূমিকম্প। এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে শিশুরা প্রতিদিন এমন ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে, যা প্রতিরোধযোগ্য। অথচ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও অনুশীলনের অভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হচ্ছে।

অ্যাডভোকেট সালেহা ফেরদৌস সিদ্দিকি বলেন, প্রত্যেক শিশুরই নিরাপদ শিক্ষার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। অথচ এ দেশের অধিকাংশ স্কুলে নেই কোনো অনুশীলন, নেই প্রশিক্ষণ কিংবা সঠিক সরঞ্জাম। তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে বাংলাদেশ আবারও কোনো বড় ধরনের গণবিপর্যয়ের ঝুঁকিতে পড়বে।

নোটিশে কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের আওতায় হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।



ঢাকা এক্সপ্রেস/ এমআরএইচ