ঢাকা, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা চুক্তির আশা: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭:০২, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা চুক্তির আশা: পানিসম্পদ মন্ত্রী

ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস

চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বরের আগেই ভারতের সঙ্গে নতুন গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনা বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি জানান, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির বর্তমান ৩০ বছরের মেয়াদ আগামী ১২ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। নতুন চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ছিল। ১৯৯৬ সালে চুক্তি নবায়নের সময় ওই ধারা রাখা হয়নি। নতুন চুক্তিতে সেটি ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বাংলাদেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

এদিকে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের কাজ আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান করার জন্য প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে আগামী বছর মূল কাজ শুরু করতে চায় সরকার। এ জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, তিস্তা প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে স্টাডি শেষ করে মূল কাজ শুরুর দিকে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পে কোনো বিদেশি চাপ রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পে দেশের মানুষের স্বার্থই সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পদ্মা ব্যারাজের স্টাডি সম্পন্ন করতে ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময় লেগেছিল বলেও জানান তিনি। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করে কাজ হাতে নিয়েছে বলে দাবি করেন মন্ত্রী।

তিস্তার মতো বড় প্রকল্পের স্টাডি দ্রুত শেষ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা নিয়ে সরকার নিজ উদ্যোগে কাজটি শেষ করবে।

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন