শিরোনাম
গবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯:৩৪, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৯:৩৪, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন লিফট স্থাপনের অনুমোদন ট্রাস্টি বোর্ডের কারণে আটকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান। তিনি বলেন, লিফটের সমস্যা সমাধানে এক বছর চেষ্টা করেও সফল হননি তাঁরা। তবে আরও এক বছর চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাতে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মারুফ হাসান এর ফেইসবুক একাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেই ভিডিওতে এমন মন্তব্য করে ভিপি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান।
ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন, ছাত্র সংসদেরও কিছু ব্যর্থতা রয়েছে। এর মধ্যে লিফটের সমস্যা অন্যতম। নিচতলা থেকে পাঁচতলায় উঠতে তাঁর নিজেরই কষ্ট হয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারেও লিফটের বিষয়টি ছিল। এ কারণে এ নিয়ে তাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানান ভিপি। উপাচার্য ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরেকটি লিফট স্থাপনের জায়গা রয়েছে এবং তিনিও সেখানে লিফট স্থাপন করতে চান।
ভিপি বলেন, একটি লিফট স্থাপনে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০-৩৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি খুব বড় অঙ্কের টাকা নয়। তবে সমস্যাটি তৈরি করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড।
ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে জাফরুল্লাহ স্যারের নীতির কথা বলা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাফরুল্লাহ স্যার যখন ছিলেন, তখন শিক্ষার্থীদের লিফট ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না। তাঁর নির্দেশনা ছিল, শুধু বয়স্ক শিক্ষকেরা লিফট ব্যবহার করবেন, শিক্ষার্থীরা নয়। তবে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামায় অভ্যস্ত নয়। তাঁর ধারণা, ট্রাস্টি বোর্ড থেকেই লিফট স্থাপনের বিষয়টি অনুমোদন করা হচ্ছে না।
ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন, ‘আমরা এক বছর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সফল হইনি। ইনশাআল্লাহ, আরও এক বছর চেষ্টা করে যাব।’
তিনি আরও বলেন, তাঁরা চেষ্টা করতে পারেন এবং তাগিদ দিতে পারেন। কিন্তু লিফট স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া ও তা বাস্তবায়ন করা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের ওপর নির্ভর করে। গণ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় বিষয়টি অনেককে বোঝানো কঠিন। এ কারণেই লিফট নিয়ে তাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই