ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবমে ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪:৩৩, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবমে ভর্তি পরীক্ষা

ফাইল ছবি

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। মঙ্গলবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২৭’ প্রকাশ করে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন, ফি গ্রহণ এবং ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হবে। প্রতিটি শ্রেণি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।

প্রথম শ্রেণিতে বয়সসীমা ৫ থেকে ৭ বছর

২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর হতে হবে। বয়স প্রমাণে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা বয়সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের ছাড় পাবে।

প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের সময় সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দ দেওয়া যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারি আয়োজন করবে।

লিখিত পরীক্ষায় নম্বর বণ্টন

দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ৫০। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ ও গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা।

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০। বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ ও গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা। প্রশ্ন তৈরি করা হবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবই থেকে।

আবেদন ফি ও কোটা

নীতিমালায় প্রথম শ্রেণির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি ও সেশন ফি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

ঢাকা মহানগরীর সরকারি বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ৬০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত থাকবে। এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে।

অন্যান্য সংরক্ষিত আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদর-সহোদরার জন্য ৩ শতাংশ এবং যমজ ভাই-বোনের জন্য ২ শতাংশ আসন রয়েছে। বদলিজনিত কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের ভর্তিতে প্রতি শাখায় ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আসন রাখা হবে।

ভর্তি কার্যক্রম তদারকিতে ঢাকা মহানগরী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে।

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসআই

আরও পড়ুন