শিরোনাম
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৬:৪৬, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত, প্রতীকী
ইসমাইল ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও চরবংশী গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক সফিকুল ইসলামের ছেলে। দুর্ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হওয়ার পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তবে সেদিন রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক মো. মিজান শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে একটি তার ছিঁড়ে পড়ে ছিল। সকালে তা দেখে তারা পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন করলেও কোনো সাড়া মেলেনি। পরে ওই তারে জড়িয়ে প্রাণ হারায় ইসমাইল। এতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অবহেলাকেই দায়ী করছেন তারা।
স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক মিজান জানান, ইসমাইলের শরীর মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। রাতেই গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
অভিযোগ প্রসঙ্গে রায়পুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মোশারেফ হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর আমরা লাইন মেরামত করেছি। তবে খুঁটি থেকে তার ছিঁড়ে পড়ার বিষয়ে আমার মোবাইল ফোনে কেউ জানাননি।
এদিকে চার দফা দাবিতে সারা দেশের মতো লক্ষ্মীপুরেও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা এক সপ্তাহ ধরে গণছুটিতে রয়েছেন। ফলে গ্রাহকরা অভিযোগ জানাতে পারছেন না, আর এতে দুর্ঘটনা ঘটছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে