শিরোনাম
চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯:০৮, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় যুবক ও হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের তৎপরতায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাতটি জোড়া লাগানো সম্ভব হলেও আর কখনো কার্যক্ষম হবে না। হাত জোড়া লাগানোর খরচ প্রায় আট লাখ টাকা, সঙ্গে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, থেরাপি ও পুনর্বাসনের ব্যয়।
পরিবার জানান, সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফোন আসার কারণে চিকিৎসা ব্যাহত হতে পারে, তাই বর্তমানে যে হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। জন্মের সাত মাস বয়সে রেহানের মা নিখোঁজ হন এবং সে দাদীর দেখাশোনায় বড় হয়েছে। রেহানের নানা সুমন খান বলেন, বাচ্চাটার জীবনে একের পর এক কষ্ট এসেছে। এখন আবার হাত হারিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা আরো বেড়েছে।
হাজীগঞ্জ-কৈয়ারপুল সড়কের বাসিন্দারা জানান, দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে এই সড়কে দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। পরিবারের সদস্যরা শিশুর সুস্থতার জন্য সবার দোয়া কামনা করেছেন।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে