শিরোনাম
মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯:৫৮, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
অভিযোগ ওঠে- একাধিক সালিশে মসজিদের পক্ষে রায় ও লিখিত স্বীকৃতি দেওয়ার পরও সরকারি ওই জায়গা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছেন হালিম মাতুব্বর (৭০), সুজাত মাতুব্বর, রাজীব মাতুব্বর ও রশিদ মাতুব্বরের পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী লুৎফর রহমান মোল্লা, মসজিদের দাতা সদস্য জালাল হোসেন মাতুব্বর, আ. রহমান শিকদার, চান মিয়া শিকদার, জয়নাল হাওলাদার, মামুন মাতুব্বর, নুরুল হক ফকির, তোফাজ্জল হাওলাদার, আবু সাইদ মুন্সী, হান্নান মাতুব্বর, সাওন মোল্লা, শাজাহান মাতুব্বর, দিদার মাতুব্বরসহ স্থানীয় মুসল্লীরা।
হাজী লুৎফর মোল্লা জানান, মসজিদের চলাচলের রাস্তার পাশে থাকা সরকারি দুই শতাংশ জায়গায় আগে একটি ডোবা ছিল। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় মসজিদ তহবিলের টাকা দিয়ে ডোবাটি ভরাট করা হয়। কিন্তু সেই জায়গার পাশে বাড়ি হওয়ায় এখন জোরপূর্বক ঘর তোলার চেষ্টা করছেন হালিম মাতুব্বর ও তার পরিবারের সদস্যরা। তিনি বলেন, দুবার সালিশে মসজিদের পক্ষে রায় দেওয়া হয় এবং দখলকারীরা লিখিতভাবে তা মেনে নেন। কিন্তু এখন তারা কোনো সিদ্ধান্তই মানছেন না। মুসল্লীদের দাবি- মসজিদের চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং সরকারি জায়গা কেউ দখল করতে পারবে না।
অপরদিকে দখলের অভিযোগে অভিযুক্তরা দাবি করেছেন, যাদের ঘরের পাশে সরকারি জায়গা, তারাই তা ভোগ করার অধিকারী। এ যুক্তিতে তারা সেখানে রান্নাঘর নির্মাণের চেষ্টা করছেন।
মসজিদের দাতা সদস্য জালাল হোসেন মাতুব্বর বলেন, তিনি মসজিদের জন্য ২৫ শতাংশ জমি দিয়েছেন। কিন্তু মসজিদের প্রবেশপথের পাশে মসজিদের অর্থে ভরাট করা সরকারি জায়গা দখল করতে চাইছেন কিছু লোক। তিনি জানান, বাধা দিলে তারা পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ ১০–১১ ফুটের একটি ঘর তোলার অনুমতি দেয়, যা মুসল্লীরা মেনে নিলেও দখলকারীরা তা মেনে নেয়নি।
তিনি আরো বলেন, সরকারি এই জায়গা উন্মুক্ত রাখতে হবে- এটাই মুসল্লীদের একমাত্র দাবি।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে