শিরোনাম
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮:৩২, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত
নীরবের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের চিলমারী এলাকায়। তার বাবা এরশাদুল হক ও মা নুরুন্নাহার বেগম দুজনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় রংপুর শহরের লালবাগ এলাকা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বালাপাড়া এলাকায় বিদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনের খুঁটিতে উঠে তিনি এই মর্মান্তিক পদক্ষেপ নেন। বিদ্যুতায়িত হয়ে নীরবের দগ্ধ শরীর নিচে পড়ে যায়।
নীরবের চাচা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, মেডিকেলে পড়ার সুযোগ না পাওয়ার কষ্টে নীরব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার বাবা-মা এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। মরদেহ বাড়িতে আনা হয়েছে এবং পারিবারিকভাবে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, নীরব দীর্ঘদিন কোচিং নিয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। রবিবার দুপুর থেকে তার ফোন বন্ধ ছিল এবং সন্ধ্যার পর বৈদ্যুতিক খুঁটিতে উঠে তারের ওপর শুয়ে পড়েন।
বেরুবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আশরাফুল হক বলেন, ‘ঘটনা শুনে ওই বাড়িতে গিয়েছি। বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক।’
এই ঘটনা শিক্ষার্থী ও পরিবারের জন্য এক গভীর শোকের খবর এবং মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বকে সামনে এনেছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএইচ