শিরোনাম
পিরোজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮:৫৪, ৪ মার্চ ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৌতূহলী মানুষজন বাছুরটিকে দেখতে ভিড় জমায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
বাছুরটির মালিক নবিতা রানী দাস জানান, প্রায় পাঁচ-ছয় বছর ধরে তারা গাভিটি লালন-পালন করছেন। এর আগে গাভিটি একটি সুস্থ বাছুরের জন্ম দিয়েছিল। তবে এবার জন্ম নেওয়া বাছুরটির শারীরিক গঠনে ব্যতিক্রম দেখা দিয়েছে। জন্মের পর থেকে বাছুরটি জীবিত রয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে দুধ খাচ্ছে বলে তিনি জানান।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার শিকদার বলেন, অনেক সময় গ্রাম্য চিকিৎসকের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ প্রয়োগের কারণে এ ধরনের বিকলাঙ্গ বাছুর জন্ম নিতে পারে। এছাড়া এটি প্রাকৃতিক জৈবিক ত্রুটির ফলও হতে পারে। তিনি আরো বলেন, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।
বিরল এই জন্মকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এটি অস্বাভাবিক বলে মনে করলেও প্রাণিসম্পদ বিভাগ বিষয়টিকে প্রাকৃতিক জৈবিক ত্রুটির ফল হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে