শিরোনাম
মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭:০২, ১৩ মার্চ ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম নগদ অর্থের জন্য মনার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছিলেন। পরে মনা তাকে ১ লাখ টাকা সুদে আনার জন্য ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করান। শহিদুল নির্ধারিত সময়ে মঠবাড়িয়া পৌরসভার মডেল মসজিদ সংলগ্ন ইসমাইল হোসেনের বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় পৌঁছালে দরজা বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক উলঙ্গ করা হয়। ওই সময় আরো দুই মহিলা ও দুই পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
আসামিরা শহিদুলকে মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ ৯,৫৪০ টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নেন এবং অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ভুক্তভোগী নগদ দিতে না পারায় মারধর চালানো হয়। রাত ৮টার দিকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার পর শহিদুলকে বের করে দেওয়া হয়। পরে পথচারীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি সুজন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ইসমাইল হোসেনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে