শিরোনাম
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮:৫৯, ২৭ মার্চ ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্তরা হলেন—লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আ. স. ম. হাদিউল ইসলাম ভুঁইয়া (৮১), আবরার উদ্দিন আহমেদ (৭০), হাজী ওসমান আলী (৭৭), মাজহারুল হক কোরেশী (৭০), আব্দুল্লাহ নূর (৭২) এবং আরিক আহমেদ (২৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা ঢাকা থেকে শটগান ও এয়ারগান নিয়ে ট্রলারে করে গজারিয়ার চরাঞ্চল ও মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় যান। সেখানে তারা বড় আকৃতির শামুকখোল পাখি শিকার করেন।
সন্ধ্যার দিকে প্রায় চার মণ পাখি সাতটি বস্তায় ভরে ফেরার সময় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী মাথাভাঙ্গা গ্রামের ঈদগাহ এলাকায় তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে।
প্রত্যক্ষদর্শী আরমান হোসেন বলেন, ‘তারা যেভাবে পাখি শিকার করতে এসেছিলেন, তা যেন যুদ্ধের প্রস্তুতির মতো।’
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অভিযুক্তদের উদ্ধার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অপরাধ স্বীকার ও বয়স বিবেচনায় একজনকে এক লাখ টাকা এবং বাকি পাঁচজনকে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
এ সময় পাখি শিকারে ব্যবহৃত তিনটি শটগান, একটি এয়ারগান এবং ৬৩ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে