শিরোনাম
নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮:০৫, ৭ এপ্রিল ২০২৬
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
তিনি জানান, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম রব্বানী-কে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কমিটির সদস্যরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবক, অভিযুক্ত দুই শিক্ষক এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, সোমবার (৬ এপ্রিল) স্কুল চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক রানী চক্রবর্তী পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী কৃষ্ণ হালদারকে ব্ল্যাকবোর্ডের ডাস্টার দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করেন। এতে শিক্ষার্থীর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরিবারের অভিযোগ, এর আগেও গত ১ এপ্রিল বিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষক দীপক কুমার একই শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
কৃষ্ণ হালদারের বাবা উত্তম হালদার বলেন, পড়া না পারার অজুহাতে আমার ছেলেকে দুই শিক্ষক (দীপক ও রানী চক্রবর্তী) বারবার মারধর করছেন। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
ভুক্তভোগীর মা পল্লবী বলেন, আমার ছেলে আতঙ্কের মধ্যে আছে। স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে। মারধরের কারণে তার শরীরে অনেক ক্ষত হয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুমানা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাটি দুঃখজনক। এ ঘটনায় দুই শিক্ষককে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, নিষেধ করা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়েছে।
শিক্ষার্থী নির্যাতনের এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে