ঢাকা, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

১৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

সরকারি দপ্তরের সেবার মান বাড়াতে গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২:৪১, ১১ মে ২০২৬

সরকারি দপ্তরের সেবার মান বাড়াতে গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি

ছবি: সংগৃহীত

‘সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ১৯৩তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি-আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান উন্নয়ন, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি প্রতিরোধ এবং সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি রোধের লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি এবং সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুদক সারা দেশে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুদকের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন ও মো. আক্তার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজিব এবং দুদকের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোহা. নুরুল হুদা।

বক্তারা বলেন, দুর্নীতির অপরাধ ও শাস্তি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ সচেতন হলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতি কমে আসবে এবং সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।

গণশুনানিতে ৩২টি সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের বিরুদ্ধে মোট ৯৭টি অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, রেলওয়ে ও এলজিইডির বিরুদ্ধে ওঠা ৭টি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এছাড়া ভূমি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য অভিযোগগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়।

ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে

আরও পড়ুন