শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২:৪৫, ১৫ মে ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ঈদে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার। এর বিপরীতে কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৫টি।
খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে খামার পরিচালনার ব্যয় বেড়ে গেছে। প্রতি গরুর মাসিক ব্যয় প্রায় ৭–৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এক মন ফিডের দাম ১২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩২০ টাকা এবং সাইলেজের কেজি আগে ৭.৫ টাকা থাকলেও এখন ৮–৯ টাকায় কিনতে হচ্ছে বলে জানান তারা।
বাড়তি খরচের কারণে খামারিরা আর্থিক চাপে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ করলে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তারা।
তবে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই জেলার কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব। একই সঙ্গে পশু হৃষ্টপুষ্টকরণে স্টেরয়েড ব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. হাবিবুল ইসলাম।
খামারিরা দিনরাত প্রাকৃতিক উপায়ে পশু পালন ও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা এক্সপ্রেস /ইউকে