শিরোনাম
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২:০৪, ১৬ মে ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
সর্বশেষ গত ১৩ মে রাতে উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের জামাই গ্রামের কৃষক হেলাল মিয়ার গোয়ালঘরের তালা কেটে দুটি গরু চুরি হয়।
এর আগে ২ মে রাতে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম আকন্দ ও তার ভাই জিয়াউর রহমানের গোয়ালঘরের তালা কেটে পাঁচটি গরু চুরি করা হয়। গরু নিয়ে পালানোর সময় পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে পিকআপ ভ্যানের পিছু নিলেও চোরদের ধরতে পারেননি।
এছাড়া ১০ মে রাতে সিদলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম সোহাগের গোয়ালঘর থেকে দুটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু চুরি হয়। এর আগে ২৬ এপ্রিল একই ইউনিয়নের নীলের কুটির এলাকার চর পিতলগঞ্জ গ্রামের মো. জিল্লাল মিয়ার চারটি এবং ৫ এপ্রিল কৃষক অনিক মিয়ার চারটি গরু চুরি হয়।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে কৃষক অনিক মিয়া, মো. শহিদুল ইসলাম আকন্দ ও মো. জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ পৃথকভাবে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলা না হওয়ার বিষয়ে শহিদুল ইসলাম আকন্দ বলেন, “পুলিশ চোরের নাম উল্লেখ করে মামলা করতে বলেছে। কিন্তু রাতের আঁধারে কারা গরু চুরি করেছে তা শনাক্ত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”
এ বিষয়ে হোসেনপুর থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “লিখিত অভিযোগ আর মামলা এক জিনিস নয়।”
এদিকে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ধারাবাহিক গরু চুরির ঘটনায় খামারি ও গৃহস্থদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে মো. শহিদুল হক বলেন, “গরু চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই মামলা নিতে হবে। যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সন্তানের মতো লালন-পালন করেন। একটি গরু চুরি হওয়ার কষ্ট আমি অনুভব করি, কারণ আমিও একজন কৃষকের সন্তান।”
ঢাকা এক্সপ্রেস /ইউকে