শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩:৩১, ১৬ মে ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে মাটি ও বালুর বস্তা ফেলে অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স লোকমান এন্টারপ্রাইজ কাজটি সম্পন্ন করে।
সেতুটি মাঝিগাছা ও নয়ামুড়া গ্রামকে যুক্ত করলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এই সেতু দিয়ে নয়ামুড়া, কর্মমট, হরিপুর, ধর্মনগরসহ অন্তত ১১ গ্রামের মানুষ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। বর্তমানে তাদের পাঁচ-ছয় কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
মাঝিগাছা গ্রামের কৃষক মুকবুল হোসেন বলেন, “সেতুর দুই পাশে সড়ক না থাকায় ওঠানামা করতে কষ্ট হয়। বর্ষায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়বে।”
ঠিকাদার লোকমান হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, “সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও আগে পানি থাকায় সংযোগ সড়ক করা সম্ভব হয়নি। এখন দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।”
ঢাকা এক্সপ্রেস /ইউকে