শিরোনাম
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০:০৯, ১৮ মে ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
সোমবার (১৮ মে) স্থানীয় আসাদুজ্জামান খান অডিটোরিয়ামে ইউএনও কাজী নাহিদ ইভার সভাপতিত্বে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান। তিনি কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, জৈব বালাই নাশক, ইয়েলো ট্রেডথ (হলুদ ফাঁদ) ও সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে ফসল উৎপাদন হলেও তা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে হলে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অতীতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশ থেকে ইংল্যান্ড ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে পান রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।
অতিথি বলেন, পার্টনার কংগ্রেসের মাধ্যমে কৃষকদের সংগঠিত করে সমবায়ভিত্তিক স্মার্ট কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে কৃষকরা উৎপাদন, বীজ বাজারজাত ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারবেন।
কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ইমরুল কায়েস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শেখ মোহাম্মদ মহসিন, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তারিকুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
ঢাকা এক্সপ্রেস /ইউকে