শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০০:২৩, ২৪ মে ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
তবে নিহতের পরিবারের দাবি, শান্তাকে হত্যা করে জোরপূর্বক কীটনাশক খাওয়ানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী কাউসারকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে কসবা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত শান্তা কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার মো. ফারুক মিয়ার মেয়ে। তিনি একই উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের ভোল্লাবাড়ি এলাকার সৌদি প্রবাসী মো. কাউসারের স্ত্রী। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিমান করে শান্তা কীটনাশক পান করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে স্বামী কাউসার তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পরে শান্তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে কাউসারকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের ফুফাতো বোন রিনা বেগম বলেন, ২০২১ সালে পারিবারিকভাবে শান্তার বিয়ে হয় কাউসারের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই ছিল। শান্তা আত্মহত্যা করতে পারেন না দাবি করে তিনি বলেন, তাকে হত্যা করে জোরপূর্বক কীটনাশক খাওয়ানো হয়েছে। শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী কাউসারকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঢাকা এক্সপ্রেস /ইউকে