ঢাকা, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

১৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

বিপৎসীমার ওপর ৯ নদীর পানি

বরিশাল প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯:৪৩, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৮, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিপৎসীমার ওপর ৯ নদীর পানি

ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস

দক্ষিণাঞ্চলের ৯টি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পাশাপাশি বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নগরীর কয়েকটি নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম।

মো. তাজুল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নদীর পানির প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের ৯টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফলে বিভাগের নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর বিপৎসীমা ২ দশমিক ১ মিটার। শনিবার সেখানে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ঝালকাঠির বিষখালী পয়েন্টে বিপৎসীমা ১ দশমিক ৪ মিটার হলেও পানি ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে ভোলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা-মেঘনা পয়েন্টে বিপৎসীমা ২ দশমিক ৯৫ মিটার হলেও পানি ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তজুমদ্দিন উপজেলার একই নদীপয়েন্টে বিপৎসীমা ২ দশমিক ২ মিটার হলেও পানি ১০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীতে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার, বরগুনার বিষখালী পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটা উপজেলার বিষখালী পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার এবং উমেদপুর পয়েন্টে কচা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার বুড়িশ্বর/পায়রা পয়েন্ট এবং উজিরপুরের সন্ধ্যা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, অমাবস্যার প্রভাবে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বন্যার কোনো আশঙ্কা বা প্রভাব নেই।

ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএস

আরও পড়ুন