শিরোনাম
নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১:২০, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ছবি: ঢাকা এক্সপ্রেস
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাগত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লিংকন বিশ্বাস, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আতাউর রহমান বাচ্চু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুকেশ সাহা আনন্দ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য হেমায়েতুল হক হিমু, নড়াইল পৌরসভার সাবেক কমিশনার কল্যাণ মুখার্জি এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম সভায় বলেন, জেলা পুলিশ সবসময় নড়াইলবাসীর পাশে রয়েছে। দুর্গোৎসবের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে হবে।
তিনি আরো জানান, পূজামন্ডপের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, কলাপসিবল গেটের ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলো এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা উদযাপন কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশুদের সুরক্ষা এবং মাদকমুক্ত উদযাপন নিশ্চিত করাও গুরুত্বের সঙ্গে বলা হয়েছে।
সভায় আরো পরামর্শ দেওয়া হয়, কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিট অফিসার, থানার ওসি, ৯৯৯ ফোন এবং পুলিশ সুপারকে অবহিত করতে হবে।
পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের তিনটি উপজেলায় এবছর ৫২৪টি মন্ডপে দুর্গোৎসব উদযাপন হবে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
ঢাকা এক্সপ্রেস/ইউকে